সূরা মুলক বাংলা অনুবাদ সহ
সুরাহ আল-মুলক (কুরআনের ৬৭তম অধ্যায়), যা প্রায়শই “সার্বভৌমত্ব” (The Sovereignty) নামে পরিচিত, এটি একটি গভীর অর্থবহ সূরা, যা এর আধ্যাত্মিক সুরক্ষা ও দিবার বিধানের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখা হয়। কিয়ামতের দিনে এটি এর তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং বিশ্বাসীদের কবরের শাস্তি থেকে রক্ষা করবে বলে পরিচিত। লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য এটি রাতের একটি অপরিহার্য আশ্রয়।
কিন্তু এর বার্তাটি বোঝা এর বরকত অর্জনের মূল চাবিকাঠি। যারা আরবি ভাষায় পারদর্শী নন, তাদের জন্য এর অর্থ উপলব্ধি করা কেবল একটি আনুষ্ঠানিক তিলাওয়াত নয়, বরং গভীর হৃদয়স্পর্শী চিন্তায় পরিণত হতে পারে।
| বিস্তারিত | তথ্য |
|---|---|
সূরার নাম | মুলক |
অধ্যায় সংখ্যা | 67 |
আয়াত সংখ্যা | 30 |
প্রকাশের স্থান | মক্কা |
জুজ (প্যারা) নম্বর | 29 |
মূল থিম | সার্বভৌমত্ব, জবাবদিহিতা, সৃষ্টির প্রতিফলন |
শব্দ | 337 |
চিঠিপত্র | 1332 |
| রুকুস | 2 |
সূরা মুলকের বাংলা অনুবাদ
[su_box title=”بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে [/su_box]
[su_box title=”تَبَٰرَكَ ٱلَّذِي بِيَدِهِ ٱلۡمُلۡكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٌ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। –[/su_box]
[su_box title=”ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلۡمَوۡتَ وَٱلۡحَيَوٰةَ لِيَبۡلُوَكُمۡ أَيُّكُمۡ أَحۡسَنُ عَمَلٗاۚ وَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡغَفُورُ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। – [/su_box]
[su_box title=”ٱلَّذِي خَلَقَ سَبۡعَ سَمَٰوَٰتٖ طِبَاقٗاۖ مَّا تَرَىٰ فِي خَلۡقِ ٱلرَّحۡمَٰنِ مِن تَفَٰوُتٖۖ فَٱرۡجِعِ ٱلۡبَصَرَ هَلۡ تَرَىٰ مِن فُطُورٖ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? [/su_box]
[su_box title=”ثُمَّ ٱرۡجِعِ ٱلۡبَصَرَ كَرَّتَيۡنِ يَنقَلِبۡ إِلَيۡكَ ٱلۡبَصَرُ خَاسِئٗا وَهُوَ حَسِيرٞ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। [/su_box]
[su_box title=”وَلَقَدۡ زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنۡيَا بِمَصَٰبِيحَ وَجَعَلۡنَٰهَا رُجُومٗا لِّلشَّيَٰطِينِۖ وَأَعۡتَدۡنَا لَهُمۡ عَذَابَ ٱلسَّعِيرِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি। [/su_box]
[su_box title=”وَلِلَّذِينَ كَفَرُواْ بِرَبِّهِمۡ عَذَابُ جَهَنَّمَۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। [/su_box]
[su_box title=”إِذَآ أُلۡقُواْ فِيهَا سَمِعُواْ لَهَا شَهِيقٗا وَهِيَ تَفُورُ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে। [/su_box]
[su_box title=”تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ ٱلۡغَيۡظِۖ كُلَّمَآ أُلۡقِيَ فِيهَا فَوۡجٞ سَأَلَهُمۡ خَزَنَتُهَآ أَلَمۡ يَأۡتِكُمۡ نَذِيرٞ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? [/su_box]
[su_box title=”قَالُواْ بَلَىٰ قَدۡ جَآءَنَا نَذِيرٞ فَكَذَّبۡنَا وَقُلۡنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَيۡءٍ إِنۡ أَنتُمۡ إِلَّا فِي ضَلَٰلٖ كَبِيرٖ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। [/su_box]
[su_box title=”وَقَالُواْ لَوۡ كُنَّا نَسۡمَعُ أَوۡ نَعۡقِلُ مَا كُنَّا فِيٓ أَصۡحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না। [/su_box]
[su_box title=”فَٱعۡتَرَفُواْ بِذَنۢبِهِمۡ فَسُحۡقٗا لِّأَصۡحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক।
[/su_box]
[su_box title=”إِنَّ ٱلَّذِينَ يَخۡشَوۡنَ رَبَّهُم بِٱلۡغَيۡبِ لَهُم مَّغۡفِرَةٞ وَأَجۡرٞ كَبِيرٞ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। [/su_box]
[su_box title=”وَأَسِرُّواْ قَوۡلَكُمۡ أَوِ ٱجۡهَرُواْ بِهِۦٓۖ إِنَّهُۥ عَلِيمُۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। [/su_box]
[su_box title=”أَلَا يَعۡلَمُ مَنۡ خَلَقَ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلۡخَبِيرُ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত। [/su_box]
[su_box title=”هُوَ ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ ذَلُولٗا فَٱمۡشُواْ فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُواْ مِن رِّزۡقِهِۦۖ وَإِلَيۡهِ ٱلنُّشُورُ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে। [/su_box]
[su_box title=”ءَأَمِنتُم مَّن فِي ٱلسَّمَآءِ أَن يَخۡسِفَ بِكُمُ ٱلۡأَرۡضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে। [/su_box]
[su_box title=”أَمۡ أَمِنتُم مَّن فِي ٱلسَّمَآءِ أَن يُرۡسِلَ عَلَيۡكُمۡ حَاصِبٗاۖ فَسَتَعۡلَمُونَ كَيۡفَ نَذِيرِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী। [/su_box]
[su_box title=”وَلَقَدۡ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡ فَكَيۡفَ كَانَ نَكِيرِ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি। [/su_box]
[su_box title=”أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ إِلَى ٱلطَّيۡرِ فَوۡقَهُمۡ صَـٰٓفَّـٰتٖ وَيَقۡبِضۡنَۚ مَا يُمۡسِكُهُنَّ إِلَّا ٱلرَّحۡمَٰنُۚ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَيۡءِۭ بَصِيرٌ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন। [/su_box]
[su_box title=”أَمَّنۡ هَٰذَا ٱلَّذِي هُوَ جُندٞ لَّكُمۡ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ ٱلرَّحۡمَٰنِۚ إِنِ ٱلۡكَٰفِرُونَ إِلَّا فِي غُرُورٍ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে। [/su_box]
[su_box title=”أَمَّنۡ هَٰذَا ٱلَّذِي يَرۡزُقُكُمۡ إِنۡ أَمۡسَكَ رِزۡقَهُۥۚ بَل لَّجُّواْ فِي عُتُوّٖ وَنُفُورٍ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। [/su_box]
[su_box title=”أَفَمَن يَمۡشِي مُكِبًّا عَلَىٰ وَجۡهِهِۦٓ أَهۡدَىٰٓ أَمَّن يَمۡشِي سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে? [/su_box]
[su_box title=”قُلۡ هُوَ ٱلَّذِيٓ أَنشَأَكُمۡ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡأَبۡصَٰرَ وَٱلۡأَفۡـِٔدَةَۚ قَلِيلٗا مَّا تَشۡكُرُونَ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। [/su_box]
[su_box title=”قُلۡ هُوَ ٱلَّذِي ذَرَأَكُمۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَإِلَيۡهِ تُحۡشَرُونَ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে। [/su_box]
[su_box title=”وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلۡوَعۡدُ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? [/su_box]
[su_box title=”قُلۡ إِنَّمَا ٱلۡعِلۡمُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٞ مُّبِينٞ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? [/su_box]
[su_box title=”فَلَمَّا رَأَوۡهُ زُلۡفَةٗ سِيٓـَٔتۡ وُجُوهُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَقِيلَ هَٰذَا ٱلَّذِي كُنتُم بِهِۦ تَدَّعُونَ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে। [/su_box]
[su_box title=”قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِنۡ أَهۡلَكَنِيَ ٱللَّهُ وَمَن مَّعِيَ أَوۡ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ ٱلۡكَٰفِرِينَ مِنۡ عَذَابٍ أَلِيمٖ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? [/su_box]
[su_box title=”قُلۡ هُوَ ٱلرَّحۡمَٰنُ ءَامَنَّا بِهِۦ وَعَلَيۡهِ تَوَكَّلۡنَاۖ فَسَتَعۡلَمُونَ مَنۡ هُوَ فِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٖ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে। [/su_box]
[su_box title=”قُلۡ أَرَءَيۡتُمۡ إِنۡ أَصۡبَحَ مَآؤُكُمۡ غَوۡرٗا فَمَن يَأۡتِيكُم بِمَآءٖ مَّعِينِۭ” box_color=”#E4E4E4″ title_color=”#000000″]বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা? [/su_box]
আরবি + বাংলা সূরা মুলক অনুবাদ
সূরা মুলক বাংলা অনুবাদ ভিডিও
সূরা মুলক অনুবাদের গুরুত্ব
প্রবেশযোগ্যতা: অ-আরবি ভাষাভাষীদের এর গভীর বিষয়বস্তু (আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, জবাবদিহিতা এবং দয়া) বুঝতে সহায়তা করে।
চিন্তাশীলতা (তাদাব্বুর): কুরআনের এই নির্দেশ “এর আয়াত নিয়ে চিন্তা কর” (কুরআন ৩৮:২৯) পূরণ করে এবং অর্থ পরিষ্কার করে তোলে।
আধ্যাত্মিক সংযোগ: তিলাওয়াতকে শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা থেকে পরিণত করে গভীর হৃদয়গ্রাহী উপাসনায়।
সার্বজনীন দিকনির্দেশনা: ভাষার বাধা দূর করে, এর সুরক্ষা ও নৈতিক শিক্ষাগুলোকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়।
শিক্ষাগত উপকরণ: শিক্ষকদের, শিক্ষার্থীদের এবং নতুন মুসলিমদের এর বার্তা বোঝার জন্য সহায়তা করে, যা তাদের ব্যক্তিগত উন্নতি ও শিক্ষা দানের কাজে লাগে।
উপসংহার
সুরাহ মুলক একটি দিবার রক্ষা কবচ, যা মুমিনদের আল্লাহর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করতে, পরকালের প্রস্তুতি নিতে এবং ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন করতে উৎসাহিত করে। এর অনুবাদ এই চিরন্তন সত্যগুলোর উপলব্ধি সহজ করে, যা সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য এটির জীবন-পরিবর্তনকারী বার্তার সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে। এর আয়াতগুলো বুঝে আমরা প্রতিদিন রাতের তিলাওয়াতকে পরিণত করতে পারি পথনির্দেশ, সুরক্ষা এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির এক অনন্য উৎসে।
“বল, ‘তিনিই সর্বাধিক দয়ালু; আমরা তাঁর ওপর ঈমান এনেছি এবং তাঁরই ওপর নির্ভর করেছি।’” (কুরআন ৬৭:২৯)
